অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা রাজশাহী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়১৮৭৩ সালে। রাজশাহী কলেজের সৌন্দর্য যে কারো মন কারে। রাজশাহী কলেজ’র পরিবেশটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়ার কারনে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় মনোযোগী দেখা যায়।
শীতকালে প্রতিবছরের মত এবারও রাজশাহী কলেজ সেজে উঠেছে বাহারি রকমের ফুলে। যেমন জিনিয়া, গাদা,রুয়েলিয়া, গোলাপ, কসমস, স্যালভিয়া, মোরগঝুটি, টাইম ফুল, পাতাবাহার, করবি, চন্দ্রমল্লিকা, জবা, ঝাউ, বকুলসহ আরো ফুল দেখা যায়। সকালের প্রথম প্রহরে বাতাসে ক্যাম্পাসে ভাজতে থাকে মোহনীয় সব ফুলের সৌরভ। শিক্ষক শিক্ষার্থী ছাড়াও এ ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করেন নানা শ্রেণীর মানুষ। তাদের ভাষায় রাজশাহী কলেজ ফুলের রাজ্য।
কলেজের বিভিন্ন চত্বর, ভবন, ফাঁকা জায়গায় গড়ে উঠেছে ছোট বড় অসংখ্য ফুল বাগান। কলেজ প্রশাসনের পেছনে পুকুর পাড় সংলগ্ন বাহারি এসব ফুলবাগান রয়েছে। এছাড়াও ক্যাম্পাসের রবীন্দ্র নজরুল চত্বর, পদার্থ বিজ্ঞান ভবন, পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন স্থান এবং কলেজ মিলোতায়নের ফটোকের সামনে বাহারি সব সব ফুলের বাগান।
অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যে ঘেরা আমাদের এই রাজশাহী কলেজ। ইউরোপ, আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা যারা রাজশাহীতে ঘুরতে আসেন তারা রাজশাহী কলেজ না দেখে ফিরে যান না। শীতকালে বাহারি রকমের ফুল ফুটে আরো সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ফুল দেখলে আমাদের সকলের মন ভালো হয়ে যায়। ছাত্র-ছাত্রীরা যখন ফুলের সাথে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে তখন আমার মন ভরে যায়।
বর্ণা দেবনাথ বলেন,শীতকালে আমাদের কলেজ ক্যাম্পাসে ফুলগুলো ফুটার কারণে আমার অনেক ভালো লাগে। ক্যাম্পাসে ঢুকেই ফুল গুলো দেখলে মনটা ভালো হয়ে যায় এবং আমাদের ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এই ফুল।
ফাহিম বলেন, রাজশাহী কলেজ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা কারণ আমাদের কলেজে সারা বছরে ফুল থাকে তবে শীতকালে একটু আমরা বেশি ফুল দেখতে পাই। রবীন্দ্র নজরুল চত্বর, প্রশাসন ভবনের পেছনে, পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এই ফুলগুলো আমরা দেখতে পাই। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এই ফুলগুলোর সৌন্দর্য বাহিরের মানুষও দেখতে আসে এতে সকলের মন ভালো হয়ে যায়।
সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ফাতেমা বলেন, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে আমাদের কলেজের এই ফুলবাগান গুলো। গ্রামের বাড়িতে দুই চারটা গাঁদা ফুল দেখা যায় আর সেখানে আমাদের পুরো কলেজটাই ফুলে ফুলে ভরা এতে আমাদের অনেক ভালো লাগে। এই ফুলগুলো আমরা শীতকালে একটু বেশি দেখতে পাই।
