শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. সেরাজ উদ্দীন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোসা. ইয়াসমিন আকতার সারমিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বাঁধন-এর উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি এবং ৮টা ৫৫ মিনিটে বিএনসিসি ক্যাডেটদের তৈরি বিশেষ দেয়ালিকার উদ্বোধন করা হয়।

এরপর কলেজ মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়। কুচকাওয়াজে অংশ নেয় বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট। রোভার স্কাউটের আয়োজনে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে একটি প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজ শেষে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করে খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কলেজের উচ্চমাধ্যমিক, অনার্স, মাস্টার্স ও ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
দুপুরে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে শিক্ষকবৃন্দের অংশগ্রহণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিকেলে কলেজ প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বিজয়ের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. যহুর আলী উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী এবং অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিজয় দিবস উদযাপনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সাংবাদিক
-
View all postsএস আলী দুর্জয় রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রাজশাহী কলেজের ইতিহাস বিভাগের অনার্স ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি একজন উদীয়মান কলাম লেখক, যিনি তার লেখনীর মাধ্যমে সমসাময়িক বিষয় এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যাগুলো তুলে ধরতে দক্ষ।
পেশাগত জীবনে এস আলী দুর্জয় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদ পরিবেশনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমানে তিনি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস-এর রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি এবং রাইজিংবিডি-এর রাজশাহী কলেজ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় সংবাদ কাভারেজে তার নিরলস প্রচেষ্টা এবং বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ পাঠকসমাজে প্রশংসিত।
তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিভাবান সাংবাদিক ও লেখক হিসেবে এস আলী দুর্জয় তার কাজের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন।
